সরাসরি কমিউনিটি সভা – ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
👉 আপনার জমি রক্ষার দায়িত্ব সবার আগে আপনার।
নীরবতা অচলাবস্থা বজায় রাখে। অংশগ্রহণ অগ্রগতি আনে। সিদ্ধান্ত আপনার।
২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা দিবস — যে দিন আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়, মানুষ একসময় নিজেদের মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকার রক্ষার জন্য একত্রিত হয়েছিল। এই দিন সাহস, সচেতনতা ও সম্মিলিত কণ্ঠের প্রতীক। এই গুরুত্বপূর্ণ দিনে আমরা প্রতিবাদের জন্য নয়, দায়িত্বের জন্য একত্র হচ্ছি। যেমন ভাষা আমাদের পরিচয়ের অংশ, তেমনি আমাদের জমি আমাদের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার ভিত্তি। এই দিনটি আপনার মনের কথা বলার, নীরবতা থেকে বেরিয়ে আসার এবং নিজের বিনিয়োগ রক্ষায় সচেতনভাবে অংশগ্রহণ করার একটি সুযোগ। ইতিহাস আমাদের শেখায় — নীরবতা অগ্রগতি থামায়, অংশগ্রহণই পথ দেখায়।
কেন পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনই এখন একমাত্র পথ?
একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি সক্রিয় পরিচালনা পর্ষদ ছাড়া কার্যকরভাবে পরিচালিত হতে পারে না।
যদি পরিচালনা পর্ষদ:
- যোগাযোগ না করে,
- কার্যকর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করে,
- নেতৃত্ব সম্প্রসারণ না করে,
- কাজের গতি তৈরি না করে,
তাহলে কোম্পানির অগ্রগতি ধীর হয়ে যায়। আর যখন আদালতের নির্ধারিত সময়সীমা সামনে রেখে কোম্পানির গতি কমে যায়, তখন ঝুঁকি বেড়ে যায়।
এটি কাউকে দোষ দেওয়ার বিষয় নয়।
এটি সময় ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই বাস্তবতার মুখোমুখি হওয়ার বিষয়।
সংক্ষিপ্ত পটভূমি: শুরুটা কোথা থেকে
প্রকল্পটি যখন ইনসোলভেন্সি প্রক্রিয়ায় যায়, তখন ২৫ জন প্লট হোল্ডার NCLT আদালতে আবেদন করেন ৬৩২ জনের প্রতিনিধিত্ব করে। তাদের আবেদন ছিল—জমি প্লট হোল্ডারদের হাতে তুলে দেওয়া হোক, যাতে আমরা নিজেরাই উন্নয়ন কাজ সম্পূর্ণ করতে পারি।
০২.০৮.২০২৩ তারিখে NCLT আদালত নির্দেশ দেয়:
- প্লট হোল্ডারদের মাধ্যমেই উন্নয়ন কাজ হবে
- একটি SPV (Special Purpose Vehicle) গঠন করতে হবে
- ৩ বছরের মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে
- অর্থাৎ শেষ সময়সীমা ০১.০৮.২০২৬
এরপর গঠিত হয় Baruipur Bloomfield City Limited (BBCL) নামে একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি, যা SPV হিসেবে কাজ করবে।
৯ জন ডিরেক্টর নিয়োগ করা হয় কোম্পানি পরিচালনার জন্য। সেই মুহূর্ত থেকে—
- ২৫ জন আবেদনকারী সাধারণ প্লট হোল্ডারে পরিণত হন
- ডিরেক্টররাই হন একমাত্র আইনগত সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী
এটা বোঝা খুব গুরুত্বপূর্ণ— একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে শুধুমাত্র পরিচালনা পর্ষদই আইনগতভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
আমরা এখন কোথায় দাঁড়িয়ে?
NCLT আদেশের পর প্রায় আড়াই বছর কেটে গেছে।
অনেক প্লট হোল্ডারের মনে প্রশ্ন:
- উন্নয়ন কাজ কি শুরু হয়েছে?
- শেয়ার ইস্যু সম্পূর্ণ হয়েছে?
- নিয়মিত অগ্রগতির রিপোর্ট পাচ্ছি?
- স্পষ্ট সময়সীমা সহ পরিকল্পনা আছে?
২০২৫ সালের আগস্ট মাসের সাধারণ সভার পর পরিচালনা পর্ষদ ৯ জন থেকে ৫ জনে নেমে আসে।
তারপর থেকে দৃশ্যমান অগ্রগতি আরও কমেছে—এমন অনুভূতি অনেকের।
ফলে তৈরি হয়েছে এক ধরনের অচলাবস্থা (Deadlock)।
অচলাবস্থা মানেই খারাপ উদ্দেশ্য নয়। কিন্তু আদালতের সময়সীমা সামনে রেখে অচলাবস্থা বিপজ্জনক।
সময় এখন সবচেয়ে বড় বিষয়
০১.০৮.২০২৬ খুব দূরে নয়।
ধরুন ভবিষ্যতে আদালতের কাছে সময় বাড়ানোর আবেদন করতে হলো। তখন আদালত জানতে চাইবে:
- কতটা কাজ হয়েছে?
- কী অগ্রগতি হয়েছে?
- পরিচালনা কাঠামো কতটা সক্রিয়?
যদি আমরা বাস্তব অগ্রগতি দেখাতে না পারি, তাহলে সময় বাড়ানো কঠিন হবে।
এটা আতঙ্ক নয়। এটা বাস্তব হিসাব।
কেন পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন দরকার?
পুনর্গঠন মানে বিরোধ নয়। পুনর্গঠন মানে—
- নতুন সক্রিয় সদস্য যুক্ত করা
- দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়া
- কাজের গতি বাড়ানো
- স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা
- আস্থা পুনরুদ্ধার করা
যদি বর্তমান ডিরেক্টরদের ব্যক্তিগত বা পেশাগত ব্যস্ততা থাকে, তাহলে সমাধান হলো বোর্ড সম্প্রসারণ করা।
অনেক প্লট হোল্ডার ইতিমধ্যেই দায়িত্ব নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
বোর্ডের অনুমোদন ছাড়া কোনও বড় সিদ্ধান্ত এগোয় না। তাই পুনর্গঠন আবেগ নয়—এটি কাঠামোগত প্রয়োজন।
কিছু না করলে কী হবে?
যদি বোর্ড ছোট ও নিষ্ক্রিয় থাকে:
- বড় সিদ্ধান্ত ঝুলে থাকবে
- আইনি ও আর্থিক কমপ্লায়েন্স থমকে যাবে
- উন্নয়ন কাজ শুরু হবে না
- আদালতের সময়সীমা এগিয়ে আসবে
তখন কোম্পানি কার্যত স্থবির হয়ে পড়বে।
স্থবিরতা মানেই ঝুঁকি।
প্রস্তাবিত পথ কী?
- ১. ৬–৭ জন সক্রিয় প্লট হোল্ডারকে নতুন ডিরেক্টর হিসেবে প্রস্তাব করা
- ২. বর্তমান বোর্ডকে অনুরোধ করা এই সম্প্রসারণ অনুমোদন করতে
- ৩. প্রয়োজনে মনিটরিং অথরিটির মতামত চাওয়া
- ৪. একান্ত প্রয়োজনে আইনসম্মত পথ বিবেচনা করা
আইনি পদক্ষেপ আমাদের প্রথম পছন্দ নয়। আমরা ভবিষ্যতে প্রতিবেশী হব।
কিন্তু ৬৩২ পরিবারের বিনিয়োগ সুরক্ষিত করা সবার আগে।
নীরব সংখ্যাগরিষ্ঠের ভূমিকা
অনেক প্লট হোল্ডার মিটিংয়ে আসেন না। অনেকেই গ্রুপে লেখেন না।
কিন্তু নীরবতাও একটি সিদ্ধান্ত।
আপনি যদি নীরব থাকেন— অন্যরা আপনার হয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
আপনি যদি অংশ নেন— আপনি নিজের জমির ভবিষ্যৎ গড়বেন।
এটা ব্যক্তি নিয়ে নয়। এটা পরিচালনা ব্যবস্থা নিয়ে।
আসন্ন সরাসরি সভা
📍 শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (সময় ও স্থান শীঘ্রই জানানো হবে)
আলোচ্যসূচি:
- জমি সংক্রান্ত বিষয়
- পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন
- আগামী ৩০ দিনের কার্যকর কর্মপরিকল্পনা
নিয়মিত আলোচনার জন্য অনলাইন সভাই আমাদের পছন্দের মাধ্যম হিসেবে থাকবে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে স্পষ্ট বোঝাপড়া, সমন্বিত মতামত এবং দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিশ্চিত করতে একটি সরাসরি সভা প্রয়োজন।
শেষ কথা
আপনার জমি রক্ষার দায়িত্ব সবার আগে আপনার।
বোর্ড পুনর্গঠন বিদ্রোহ নয়। এটি দায়িত্বশীল পদক্ষেপ।
আমাদের সময়সীমা আছে। আমাদের আইনগত অধিকার আছে। আমাদের মধ্যে সক্ষম মানুষও আছেন।
এখন প্রয়োজন সিদ্ধান্ত।
নীরবতা অচলাবস্থা বজায় রাখে। অংশগ্রহণ অগ্রগতি আনে।
সিদ্ধান্ত আপনার।
সমাপনী নোট
সমস্ত প্লট হোল্ডারকে গঠনমূলকভাবে অংশগ্রহণ করতে এবং শান্তভাবে নিজেদের মতামত উপস্থাপন করতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। সমষ্টিগত আলোচনা ও পারস্পরিক বোঝাপড়া আমাদের কমিউনিটি হিসেবে একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার জন্য অপরিহার্য।
Minutes of Meeting (MoM)
সভার শিরোনাম
সেভ বারুইপুর ব্লুমফিল্ড সিটি (BBCL) কমিউনিটি সভা
তারিখ ও সময়
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সকাল ১১:০০ টা
প্ল্যাটফর্ম
সশরীরে সভা
স্থান: রবীন্দ্র সরোবর স্টেডিয়াম, কলকাতা
উপস্থিতি সংক্রান্ত নোট
সভায় আনুমানিক প্রায় ৬০ (ষাট) জন প্লট হোল্ডার শারীরিকভাবে উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত সদস্যদের স্বাক্ষরসহ উপস্থিতি তালিকা প্রস্তুত করা হয়; তবে কয়েকজন উপস্থিত সদস্য উপস্থিতি তালিকায় স্বাক্ষর করেননি।
এছাড়াও, সভার পূর্বে ও পরবর্তী সময়ে আনুমানিক প্রায় ৭০ (সত্তর) জন প্লট হোল্ডারের স্বাক্ষরযুক্ত লিখিত সমর্থনপত্র/অনুমোদনপত্র প্রাপ্ত হয়েছে, যা রেকর্ডভুক্ত করা হয়েছে।
সূচনা বক্তব্য
সভাটি প্রয়াত শ্রী দিলীপ কুমার ঘোষ, যিনি কোর কমিটির একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন, তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দুই মিনিট নীরবতা পালনের মাধ্যমে শুরু হয়। উপস্থিত সদস্যবৃন্দ তাঁর অবদানের প্রতি সম্মান জ্ঞাপন করেন এবং গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।
আলোচ্যসূচি
- বোর্ড পুনর্গঠন ও অতিরিক্ত পরিচালক অন্তর্ভুক্তি
- এসপিভি কাঠামোর অধীনে কন্ট্রাক্টর-ভিত্তিক ডেভেলপমেন্ট মডেল গ্রহণ
- প্রকল্প সাইট পরিদর্শনের প্রস্তাব
আলোচ্যসূচি অনুযায়ী আলোচনা সারসংক্ষেপ
১. বোর্ড পুনর্গঠন ও অতিরিক্ত পরিচালক অন্তর্ভুক্তি
সভাপতি উপস্থিত সদস্যদের অবহিত করেন যে ০২.০৮.২০২৩ তারিখের এনসিএলটি আদেশ অনুযায়ী প্রকল্পের উন্নয়ন দায়িত্ব বারুইপুর ব্লুমফিল্ড সিটি লিমিটেড (BBCL)-এর উপর ন্যস্ত হয়েছে এবং নির্ধারিত সময়সীমা ০১.০৮.২০২৬ পর্যন্ত।
আলোচনায় নিম্নলিখিত বিষয়গুলি উত্থাপিত হয়:
- প্রশাসনিক অগ্রগতির দৃশ্যমান অভাব
- আগস্ট ২০২৫-এ অনুষ্ঠিত সাধারণ সভার পর থেকে বোর্ডের যোগাযোগ হ্রাস
- অবশিষ্ট সময়সীমার মধ্যে প্রয়োজনীয় কমপ্লায়েন্স, সমন্বয় ও বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা
সময়সীমার মধ্যে কার্যসম্পাদন নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক কাঠামো শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা আলোচনা করা হয়।
প্রস্তাবিত পরিচালকদের নাম সভায় উচ্চস্বরে পাঠ করা হয়।
উপস্থিত সদস্যদের মতামত প্রদানের সুযোগ দেওয়া হয়।
২. এসপিভি কাঠামোর অধীনে কন্ট্রাক্টর-ভিত্তিক ডেভেলপমেন্ট মডেল গ্রহণ
সভাপতি ০২.০৮.২০২৩ তারিখের এনসিএলটি আদেশ এবং এসপিভি কাঠামোর প্রেক্ষাপট উপস্থাপন করেন।
আলোচনার বিষয়সমূহ:
- জমির মালিকানা BBCL-এর অধীনে রাখা
- এসপিভির বাইরে উন্নয়ন অধিকারের হস্তান্তর এড়ানো
- মাইলস্টোন-ভিত্তিক অর্থপ্রদান নিশ্চিত করা
- এনসিএলটি আদেশের পূর্ণ কমপ্লায়েন্স বজায় রাখা
- বোর্ড তত্ত্বাবধানে যথাযথ চুক্তিগত সুরক্ষা নিশ্চিত করা
স্পষ্ট করা হয় যে এই প্রস্তাব কেবল উন্নয়ন কাঠামোর নীতিগত গ্রহণ এবং কোনো নির্দিষ্ট কন্ট্রাক্টরকে অনুমোদন নয়।
উপস্থিত সদস্যদের মতামত প্রদানের সুযোগ দেওয়া হয়।
৩. প্রকল্প সাইট পরিদর্শনের প্রস্তাব
পরবর্তী শনিবার প্রকল্প সাইট যৌথভাবে পরিদর্শনের একটি প্রস্তাব উত্থাপিত হয়।
সময় ও সমন্বয় সংক্রান্ত বিস্তারিত আলোচনা হয়নি।
গৃহীত সিদ্ধান্ত
প্রস্তাব ১ – বোর্ড পুনর্গঠন ও অতিরিক্ত পরিচালক অন্তর্ভুক্তি
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, নিম্নোক্ত ব্যক্তিবর্গ, যারা সংশ্লিষ্ট প্লট হোল্ডার অথবা তাঁদের যথাযথভাবে অনুমোদিত প্রতিনিধিদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত, তাঁদের প্রযোজ্য আইনগত ও বিধিবদ্ধ কমপ্লায়েন্স সাপেক্ষে BBCL-এর পরিচালক হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য সুপারিশ করা হলো:
- ডা. আনন্দ সাগর – প্লট C180
- অমিতাভ মণ্ডল – প্লট B041
- সঞ্জয় রায় – প্লট B117
- হারমিত সিং আনন্দ – প্লট C024
- দীনবন্ধু মণ্ডল – প্লট C022
- সুবাস দে – প্লট B140
- সুবাস চন্দ্র ভদ্র – প্লট A344
- শান্তি দে – প্লট A190
বিদ্যমান বোর্ডকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করা হয়:
- সুপারিশ বিবেচনা ও বাস্তবায়ন করা
- প্রয়োজনীয় বোর্ড সভা আহ্বান করা
- যথাযথ প্রস্তাব গ্রহণ করা
- রেজিস্ট্রার অফ কোম্পানিজের নিকট প্রয়োজনীয় নথি দাখিল করা
- ৭ (সাত) দিনের মধ্যে অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা
৭ দিনের মধ্যে বাস্তবায়ন না হলে, প্রযোজ্য আইন অনুসারে এনসিএলটি-তে আবেদনসহ প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের অনুমোদন দেওয়া হয়।
প্রস্তাবটি উচ্চস্বরে পাঠ করা হয় এবং উপস্থিত সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থনে গৃহীত হয়।
প্রস্তাব ২ – কন্ট্রাক্টর-ভিত্তিক ডেভেলপমেন্ট মডেল গ্রহণ
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নীতিগতভাবে কন্ট্রাক্টর-ভিত্তিক ডেভেলপমেন্ট মডেল গ্রহণ করা হয়, যার মূল বিষয়সমূহ:
- জমির মালিকানা BBCL-এর অধীনেই থাকবে
- এসপিভির বাইরে উন্নয়ন অধিকার হস্তান্তর হবে না (যথাযথ আইনগত সুরক্ষা ব্যতীত)
- সকল চুক্তি BBCL বোর্ডের তত্ত্বাবধানে সম্পাদিত হবে
- অর্থপ্রদান মাইলস্টোন-ভিত্তিক ও কর্মসম্পাদন-নির্ভর হবে
- যথাযথ সময়সীমা, দায়বদ্ধতা ও আইনগত সুরক্ষা অন্তর্ভুক্ত থাকবে
- উন্নয়ন কাঠামো ০২.০৮.২০২৩ তারিখের এনসিএলটি আদেশের অধিক্ষেত্রের মধ্যে থাকবে
স্পষ্ট করা হয় যে এই পর্যায়ে কোনো নির্দিষ্ট কন্ট্রাক্টর অনুমোদিত হয়নি।
প্রস্তাবটি উচ্চস্বরে পাঠ করা হয় এবং উপস্থিত সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থনে গৃহীত হয়।
কার্যপদক্ষেপ
বিদ্যমান পরিচালনা পর্ষদ
- প্রস্তাবিত পরিচালকদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে বিবেচনা ও বাস্তবায়ন
- প্রয়োজনীয় বোর্ড সভা আহ্বান
- রেজিস্ট্রার অফ কোম্পানিজের নিকট প্রয়োজনীয় দাখিল
- ৭ দিনের মধ্যে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা
সংশ্লিষ্ট প্লট হোল্ডারগণ (শর্তসাপেক্ষে)
- ৭ দিনের মধ্যে বাস্তবায়ন না হলে, প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী এনসিএলটি-তে আবেদনসহ প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ
ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ
- ৭ দিনের মধ্যে বিদ্যমান বোর্ডের পক্ষ থেকে পদক্ষেপের অপেক্ষা
- কন্ট্রাক্টর-ভিত্তিক উন্নয়ন কাঠামোর বাস্তবায়ন পরিকল্পনা প্রস্তুতকরণ
- পরবর্তী শনিবার যৌথভাবে প্রকল্প সাইট পরিদর্শন (সমন্বয় পৃথকভাবে জানানো হবে)
উপরোক্ত কার্যবিবরণী ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ডা. আনন্দ সাগরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভার আলোচনার ভিত্তিতে প্রস্তুত।
Meeting Photos
Photos 1:

Photos 2:

Photos 3:

Photos 4:

Photos 5:
